Description
- জলবায়ুঃ রজনীগন্ধা গাছের চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া প্রয়োজন। মাটি যাতে বেশী ভিজে কাদা কাদা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কাদা হলে গাছ বাঁচানো যাবে না। নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে যাতে গাছের গোড়ায় জল না জমে। আর কোনো কারণে মাটি স্যাঁতসেঁতে থাকলে সেই কয়দিন জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া প্রতিদিন নিয়ম করে জল দেওয়া উচিৎ।
- রজনীগন্ধার চাষের সময়কালঃ সারাবছর রজনীগন্ধা চাষ করা যায়। তবে শীতকালে রজনীগন্ধা ফুলের উৎপাদন কমে যায়। তাই চাষের জন্য গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকালে এর ভাল চাষ হয়। তবে টবে বা বাসায় লাগালেসারা বছর লাগানো যাবে।
- টব: রজনীগন্ধাফুল চাষের জন্য মাঝারি ও বড় আকারের টব যে কোনো হলেই চলবে। একটি টবে ২টি কন্দ লাগানো যায়। টবের নিচে অবশ্যই ছিদ্র রাখতে হবে যেন নিচে পানি জমে না থাকে।
- সার: ভার্মি সার বা গোবর সার, চাপান সার ও তরল সার এই গাছের জন্য ভাল। নির্দিষ্ট পরিমান জল নিয়ে তাতে কিছুটা ডি.এ.পি,কিছুটা ম্যাগেশিয়াম সালফেট,কিছুটা পটাশ দিয়ে তরল সার তৈরী করা হয়।
- মাটি তৈরিঃ সুনিষ্কাশিত জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোঁআশ মাটি ও বেলে দোঁআশ মাটি রজনীগন্ধা চাষের জন্য ভাল। এছাড়া এঁটেল মাটিতেও এই চাষ হয়। আপনি যদি টবে রজনীগন্ধা চাষ করতে চান তাহলে প্রথমেই যেটি করবেন, পরিমান মতো দো-আঁশ বা বেলে মাটি এর সাথে গোবর, পাতাসার মিশিয়ে সারমাটি তৈরী করুন। যার মধ্যে বীজ বপন করবেন। মাটি সবসময় ঝুরঝুরে থাকতে হবে।
- রজনীগন্ধা ফুলের পোকামাকড় ও প্রতিকার: রজনীগন্ধা গাছের ক্ষেত্রে ধ্বসা রোগের আক্রমনের সম্মুখীন হতে হয়। এর ফলে গাছের শিকরে পচন ধরে। গাছের পাতা খসে যায়। ফুলের মঞ্জরীগুলো ঢলে পড়ে। এক্ষেত্রে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে ফেলতে হবে। গাছের গোড়ার মাটিতে নির্দিষ্ট জলে কুপ্রাভিট অথবা ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে দিতে হবে। রোগাক্রান্ত গাছে ১৫-১৮ দিন পরপর ৩ বার এই মিশ্রণ প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ছত্রাক আক্রান্ত হলে, ফুলের বোটা নরম হয়ে যায়। এক্ষেত্রে প্রতিমাসে একবার নিয়মিত কীটনাশক স্প্রে করলে ভাল হয়।














Reviews
There are no reviews yet.